Dhaka , Thursday, 17 September 2026
সকল ভিসার খবর
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যালে মৈত্রী ইনফিনিটি মালয়েশিয়ায় ভিসার জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক ভিসা কী, কীভাবে আবেদন করবেন? অধ্যাপক ইউনূসের সফরে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার হয়েছে: মালয়েশিয়ার মন্ত্রী দ্রুত বিকাশমান বিশ্ববাজারে যৌথভাবে হালাল পণ্য উৎপাদন করতে পারে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ: ড. ইউনূস রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার প্রভাব কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ জনশক্তি রপ্তানি ‘সিন্ডিকেটের প্রধান’ রুহুলের ৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তি জব্দ মালয়েশিয়া যেতে কর্মীরা যাতে চক্রের মধ্যে না পড়েন, সতর্ক আছি: প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টা বাংলাদেশি ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’–এর দাবি অসত্য: মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষামন্ত্রী মালয়েশিয়ায় ৭-৮ বিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা বাংলাদেশের
মালয়েশিয়া কাজের খবর
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যালে মৈত্রী ইনফিনিটি মালয়েশিয়ায় ভিসার জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক ভিসা কী, কীভাবে আবেদন করবেন? মালয়েশিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসার সুবিধা কী, কীভাবে যাবেন? অধ্যাপক ইউনূসের সফরে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার হয়েছে: মালয়েশিয়ার মন্ত্রী দ্রুত বিকাশমান বিশ্ববাজারে যৌথভাবে হালাল পণ্য উৎপাদন করতে পারে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ: ড. ইউনূস রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার প্রভাব কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ জনশক্তি রপ্তানি ‘সিন্ডিকেটের প্রধান’ রুহুলের ৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তি জব্দ মালয়েশিয়া যেতে কর্মীরা যাতে চক্রের মধ্যে না পড়েন, সতর্ক আছি: প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টা বাংলাদেশি ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’–এর দাবি অসত্য: মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষামন্ত্রী

মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক ভিসা কী, কীভাবে আবেদন করবেন?

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:19:45 pm, Sunday, 28 September 2025
  • 44 Time View

মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক ভিসা বা কর্মী ভিসা হলো এমন একটি ভিসা, যা দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের বৈধভাবে কাজ ও বসবাসের অনুমতি দেয়। এটি মূলত ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স (ভিডিআর) নামেই বেশি পরিচিত।

এই ভিসা কেবল তখনই দেওয়া হয় যখন মালয়েশিয়ার কোনো অনুমোদিত নিয়োগদাতা (এমপ্লয়ার) ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমোদন নেয়। অর্থাৎ, আগে নিয়োগদাতা অনুমোদনপত্র সংগ্রহ করে, পরে সেই অনুমোদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশি কর্মী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

মূল বৈশিষ্ট্য

এটি কেবল কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ, সামাজিক সফর বা পর্যটনের জন্য নয়।

ভিসার মেয়াদ সাধারণত চাকরির চুক্তির মেয়াদের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মেডিকেল পরীক্ষা ও জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ক্লিয়ারেন্স বাধ্যতামূলক।

এই ভিসা ছাড়া মালয়েশিয়ায় কাজ করা অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ওয়ার্ক ভিসার জন্য কীভাবে আবেদন করবেন?

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কাজের উদ্দেশ্যে যেতে হলে ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স’ (ভিডিআর) বা ওয়ার্ক ভিসা নিতে হয়।

এর জন্য প্রথমে মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাকে কর্মী নিয়োগের অনুমোদন নিতে হয়। অনুমোদন পাওয়া গেলে কর্মীর নামে ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স অ্যাপ্রুভাল লেটার’ ইস্যু করা হয়। এই অনুমোদনপত্র হাতে পাওয়ার পর বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়।

আবেদনের জন্য প্রয়োজন হয়— বৈধ পাসপোর্ট, পাসপোর্টের ফটোকপি, পূর্ণাঙ্গ ভিসা আবেদন ফর্ম, দুই কপি ছবি, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদনপত্র, প্রভৃতি।

সব কাগজপত্র যাচাইয়ের পর মালয়েশিয়ার হাইকমিশন থেকে ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু করা হয়। ভিসা অনুমোদন পেলেই কর্মী মালয়েশিয়ায় গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।

মালয়েশিয়ার ওয়ার্কিং ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

১. মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতার অনুমোদন:

২. ভিসা অনুমোদনপত্র (ভিডিআর অ্যাপ্রুভাল লেটার):

নিয়োগদাতা অনুমোদন পাওয়ার পর কর্মীর নামে একটি ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স অ্যাপ্রুভাল লেটার’ ইস্যু হয়। এটি ছাড়া ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব নয়।

ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করতে যা যা লাগবে-

* বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ১৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
* পাসপোর্টের ফটোকপি
* পূর্ণাঙ্গ ভিসা আবেদন ফর্ম
* ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
* মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদনপত্র
* অন্যান্য ডকুমেন্ট (প্রয়োজনে)

৪. মেডিকেল চেকআপ:

বাংলাদেশে বিএমইটি অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। কেবল মেডিকেল ফিট সার্টিফিকেট থাকলেই ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।

৫. বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স:

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে চাকরির জন্য যেতে হলে বিএমইটির ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়। এছাড়া স্মার্টকার্ড (প্রবাসী কল্যাণ কার্ড) ইস্যু করা হয়।

৬. ভিসা ইস্যু:

সব কাগজপত্র যাচাইয়ের পর মালয়েশিয়ার হাইকমিশন (ঢাকা) থেকে ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু করা হয়। ভিসা অনুমোদন পেলেই মালয়েশিয়ায় গিয়ে কাজ শুরু করা যায়।

>> গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি

* মালয়েশিয়ার সামাজিক সফরের ভিসা বা ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে গিয়ে কাজ করা সম্পূর্ণ অবৈধ। সেখানে অবৈধভাবে কাজ করলে জরিমানা, কারাদণ্ড বা নির্বাসন হতে পারে।

* কেবল অনুমোদিত এজেন্সি বা বৈধ নিয়োগদাতার মাধ্যমে যাওয়া নিরাপদ। বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেখার জন্য বিএমইটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.bmet.gov.bd) ভিজিট করুন।

* ভিসার মেয়াদ চাকরির চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হয় এবং সময় শেষ হলে নবায়ন করতে হয়। নবায়ন প্রক্রিয়ায় নিয়োগদাতার ভূমিকা এবং মালয়েশিয়ার এফওএমইএমএ (ফরেন ওয়ার্কার্স মেডিকেল এক্সামিনেশন মনিটরিং এজেন্সি)-এর অধীনে মেডিকেল পরীক্ষার পুনরাবৃত্তি প্রয়োজন হতে পারে।

>> ভিসা চেক

ভিসার স্ট্যাটাস চেক করতে https://eservices.imi.gov.my/myimms/PRAStatus ওয়েবসাইটে পাসপোর্ট নম্বর ও ভিসা আবেদন নম্বর ব্যবহার করুন।

>> সতর্কতা

* দালাল এড়িয়ে চলুন: সরকারি পদ্ধতিতে আবেদন করলে খরচ অনেক কম হয় এবং নিরাপদ।
* সঠিক তথ্য: ভিসা আবেদনের সময় সব তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করুন, অন্যথায় আবেদন বাতিল হতে পারে।
* আগাম আবেদন: ভ্রমণের ১-২ মাস আগে আবেদন করুন।

>> যোগাযোগ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যালে মৈত্রী ইনফিনিটি

মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক ভিসা কী, কীভাবে আবেদন করবেন?

Update Time : 05:19:45 pm, Sunday, 28 September 2025

মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক ভিসা বা কর্মী ভিসা হলো এমন একটি ভিসা, যা দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের বৈধভাবে কাজ ও বসবাসের অনুমতি দেয়। এটি মূলত ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স (ভিডিআর) নামেই বেশি পরিচিত।

এই ভিসা কেবল তখনই দেওয়া হয় যখন মালয়েশিয়ার কোনো অনুমোদিত নিয়োগদাতা (এমপ্লয়ার) ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমোদন নেয়। অর্থাৎ, আগে নিয়োগদাতা অনুমোদনপত্র সংগ্রহ করে, পরে সেই অনুমোদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশি কর্মী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

মূল বৈশিষ্ট্য

এটি কেবল কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ, সামাজিক সফর বা পর্যটনের জন্য নয়।

ভিসার মেয়াদ সাধারণত চাকরির চুক্তির মেয়াদের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মেডিকেল পরীক্ষা ও জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ক্লিয়ারেন্স বাধ্যতামূলক।

এই ভিসা ছাড়া মালয়েশিয়ায় কাজ করা অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ওয়ার্ক ভিসার জন্য কীভাবে আবেদন করবেন?

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কাজের উদ্দেশ্যে যেতে হলে ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স’ (ভিডিআর) বা ওয়ার্ক ভিসা নিতে হয়।

এর জন্য প্রথমে মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাকে কর্মী নিয়োগের অনুমোদন নিতে হয়। অনুমোদন পাওয়া গেলে কর্মীর নামে ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স অ্যাপ্রুভাল লেটার’ ইস্যু করা হয়। এই অনুমোদনপত্র হাতে পাওয়ার পর বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়।

আবেদনের জন্য প্রয়োজন হয়— বৈধ পাসপোর্ট, পাসপোর্টের ফটোকপি, পূর্ণাঙ্গ ভিসা আবেদন ফর্ম, দুই কপি ছবি, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদনপত্র, প্রভৃতি।

সব কাগজপত্র যাচাইয়ের পর মালয়েশিয়ার হাইকমিশন থেকে ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু করা হয়। ভিসা অনুমোদন পেলেই কর্মী মালয়েশিয়ায় গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।

মালয়েশিয়ার ওয়ার্কিং ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

১. মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতার অনুমোদন:

২. ভিসা অনুমোদনপত্র (ভিডিআর অ্যাপ্রুভাল লেটার):

নিয়োগদাতা অনুমোদন পাওয়ার পর কর্মীর নামে একটি ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স অ্যাপ্রুভাল লেটার’ ইস্যু হয়। এটি ছাড়া ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব নয়।

ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করতে যা যা লাগবে-

* বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ১৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
* পাসপোর্টের ফটোকপি
* পূর্ণাঙ্গ ভিসা আবেদন ফর্ম
* ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
* মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদনপত্র
* অন্যান্য ডকুমেন্ট (প্রয়োজনে)

৪. মেডিকেল চেকআপ:

বাংলাদেশে বিএমইটি অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। কেবল মেডিকেল ফিট সার্টিফিকেট থাকলেই ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।

৫. বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স:

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে চাকরির জন্য যেতে হলে বিএমইটির ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়। এছাড়া স্মার্টকার্ড (প্রবাসী কল্যাণ কার্ড) ইস্যু করা হয়।

৬. ভিসা ইস্যু:

সব কাগজপত্র যাচাইয়ের পর মালয়েশিয়ার হাইকমিশন (ঢাকা) থেকে ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু করা হয়। ভিসা অনুমোদন পেলেই মালয়েশিয়ায় গিয়ে কাজ শুরু করা যায়।

>> গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি

* মালয়েশিয়ার সামাজিক সফরের ভিসা বা ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে গিয়ে কাজ করা সম্পূর্ণ অবৈধ। সেখানে অবৈধভাবে কাজ করলে জরিমানা, কারাদণ্ড বা নির্বাসন হতে পারে।

* কেবল অনুমোদিত এজেন্সি বা বৈধ নিয়োগদাতার মাধ্যমে যাওয়া নিরাপদ। বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেখার জন্য বিএমইটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.bmet.gov.bd) ভিজিট করুন।

* ভিসার মেয়াদ চাকরির চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হয় এবং সময় শেষ হলে নবায়ন করতে হয়। নবায়ন প্রক্রিয়ায় নিয়োগদাতার ভূমিকা এবং মালয়েশিয়ার এফওএমইএমএ (ফরেন ওয়ার্কার্স মেডিকেল এক্সামিনেশন মনিটরিং এজেন্সি)-এর অধীনে মেডিকেল পরীক্ষার পুনরাবৃত্তি প্রয়োজন হতে পারে।

>> ভিসা চেক

ভিসার স্ট্যাটাস চেক করতে https://eservices.imi.gov.my/myimms/PRAStatus ওয়েবসাইটে পাসপোর্ট নম্বর ও ভিসা আবেদন নম্বর ব্যবহার করুন।

>> সতর্কতা

* দালাল এড়িয়ে চলুন: সরকারি পদ্ধতিতে আবেদন করলে খরচ অনেক কম হয় এবং নিরাপদ।
* সঠিক তথ্য: ভিসা আবেদনের সময় সব তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করুন, অন্যথায় আবেদন বাতিল হতে পারে।
* আগাম আবেদন: ভ্রমণের ১-২ মাস আগে আবেদন করুন।

>> যোগাযোগ